Header Ads

Header ADS

এগ্রোব্যাকটেরিয়াম ব্যাকটেরিয়া:Agrobacterium Bacteria & Its Uses

 এগ্রোব্যাকটেরিয়াম এবং তার জেনেটিক ব্যবহার

 এগ্রোব্যাকটেরিয়াম ব্যাকটেরিয়াটি মৃত্তিকাবাসী, গ্রাম-নেগেটিভ , দন্ডাকার ব্যাকটেরিয়া। ব্যাকটেরিয়াটির বৈজ্ঞানিক নাম Agrobacterium tumefaciens. 

Agrobacterium tumifaciens উদ্ভিদে ক্রাউন গল রোগ সৃষ্টি করে। উদ্ভিদের আক্রান্ত অংশে টিস্যুর অতিমাত্রিক এবং অনিয়ন্ত্রিত উৎপাদনের ফলে ক্রাউন গল রোগ সৃষ্টি হয়। ১৯৭৪ সালে বিজ্ঞানী Zaenen et al বলেন যে এ ব্যাকটেরিয়ার কোষে একটি বৃহদাকার (প্রায় ২০০ Kb) বহি:ক্রোমোজোমাল DNA রয়েছে।যাকে প্লাজমিড(Plasmid) বলে।

Ti Plasmid


এই প্লাজমিডে বিদ্যমান জিনই ক্রাউনগল রোগ সৃষ্টি করে। ১৯৭৫ সালে বিজ্ঞানী ভন লারভেক (Van Larebeck) এবং তার সহকর্মীগন টিউমার উৎপাদনকারী প্লাজমিডকে Ti Plasmid নামে অভিহিত করেন।  Agrobacterium tumifaciens আধুনিক কালে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এ খুব গুরুত্বপূর্ন উপকরণে পরিণত হয়েছে।

 

বিজ্ঞানীরা লক্ষ্য করলেন যে- Ti Plasmid এর একটি অংশ পোষক কোষের DNA এর সাথে যুক্ত হয়ে যেতে পারে। পোষক কোষের DNA কে রুপান্তরিত করতে পারে।এবং পোষক কোষে অবস্থান কালে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করতে পারে।

বিগত কয়েক দশকে এই ব্যাকটেরিয়া নিয়ে ব্যাপক গবেষণা হয়েছে। এবং বর্ত মানেও গবেষণা চলছে। এই ব্যাকটেরিয়া তাদের বহি:ক্রোমোজোমাল DNA তে একটি সাধারণ অংশ বহন করে যাকে T-DNA  বলে।


Ti Plasmid এর গঠন:

Ti Plasmid এ চারটি অঞ্চল রয়েছে যথা: 

১) অঞ্চল -A: T-DNA নিয়ে এ অঞ্চল গঠিত যা টিউমার উৎপাদনের জন্য দায়ী।

২) অঞ্চল -B: এ অংশটি অনুলিপনের জন্য দায়ী।

৩)অঞ্চল -C:এ অংশটি সংযোগের (Conjugation) এর  জন্য দায়ী।

৪) অঞ্চল -D: এ অঞ্চলটি বিষময়তা বা তীব্রতার( Virulance=Vir)জন্য দায়ী। এ অঞ্চলে বিষময়তা বা মিউটেশন ঘটলে বিষময়তা কমে যায়।



No comments

Powered by Blogger.